তুষারছোঁয়া হিমালয়ের পথে - সিমলা, কুল্লু, মানালি ও মণিকরণ
9 Nts / 10 Days
| Adult | 0 | × | 0 | 0 |
|---|---|---|---|---|
| Extra Adult | 0 | × | 0 | 0 |
| Child | 0 | × | 0 | 0 |
| GST @ 5% | 0 | |||
| Grand Total | ₹0.00 | |||
Tour Highlights
Manoranjan Holidays নিয়ে এসেছে এক বিশেষ কলকাতা থেকে কলকাতা ৯ রাত্রি / ১০ দিনের গ্রুপ টূর, যেখানে আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজারের তত্ত্বাবধানে দলবদ্ধভাবে ঘুরে দেখবেন সিমলা, কুফরি, কুল্লু, মানালি, সোলাং উপত্যকা, মণিকরণ ও পার্বতী উপত্যকা। এই ভ্রমণে থাকবে পাহাড়ের রোমাঞ্চ, তুষারের হাতছানি, নদীর সৌন্দর্য, দেবদারু বন, পাহাড়ি মন্দির, স্থানীয় সংস্কৃতি, কুল্লুর ঐতিহ্য এবং মণিকরণের আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
🌺 আমাদের ভ্রমণের বিশেষ আকর্ষণ
আজ সন্ধ্যায় আমরা সকলে নির্দিষ্ট সময়ে কলকাতা রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত হবো। আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজার সকল পর্যটককে স্বাগত জানিয়ে যাত্রা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
এরপর সকলে দলবদ্ধভাবে নির্ধারিত ট্রেনে হিমাচলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। নতুন বন্ধু, গল্প, আড্ডা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে শুরু হবে আমাদের বহু প্রতীক্ষিত হিমাচল ভ্রমণ।
রাত্রিবাস: ট্রেনে।
আজ আমাদের সারাদিন ও রাতের একটি বড় অংশ ট্রেনেই কাটবে। ট্রেনের জানালা দিয়ে একের পর এক বদলে যেতে থাকা ভূদৃশ্য দেখতে দেখতে আমরা এগিয়ে চলবো হিমাচলের দিকে।
ট্যুর ম্যানেজার সময়ে সময়ে সকলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাত্রার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলির সমন্বয় করবেন। পরস্পরের সঙ্গে গল্প, আড্ডা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে কেটে যাবে আজকের দিনটি।
রাতের ট্রেনযাত্রা শেষে আমরা পৌঁছে যাবো আমাদের নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনে।
রাত্রিবাস: 🚆 ট্রেনে।
আজ খুব ভোরে, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে আমাদের ট্রেন নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে। স্টেশনে পৌঁছানোর পর আমরা সকালের প্রাতঃরাশ সেরে ফেলবো । এরপর আমাদের নির্ধারিত গাড়ি সকল পর্যটককে নিয়ে সিমলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে ।
ভোরের নীরবতা পেরিয়ে ধীরে ধীরে সমতলভূমি থেকে পাহাড়ি পথে প্রবেশ করবো। রাস্তার দু'পাশে পাইন ও দেবদারু গাছ, পাহাড়ি উপত্যকা এবং ছোট ছোট পাহাড়ি জনপদ দেখতে দেখতে এগিয়ে চলবে আমাদের যাত্রা।
সিমলায় পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করে এবং ফ্রেশ হয়ে দুপুরের মধ্যান্নভোজ সাড়ে ফেলবো । এরপর আমরা কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে বিকেলের দিকে সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থানীয় বাজার ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে নেবো। সন্ধ্যায় সিমলার মনোরম পাহাড়ি পরিবেশ উপভোগ করে হোটেলে ফিরে আসবো।
রাত্রিবাস: 🏨 সিমলা।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা দলবদ্ধভাবে বেরিয়ে পড়বো কুফরি ও সিমলা দর্শনে। প্রথমে যাবো কুফরি। পাহাড়, পাইন বন ও সবুজ উপত্যকার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করবো।
আবহাওয়া অনুকূল থাকলে শীতকালে তুষারপাতের সময় বরফে ঢাকা পাহাড় দেখার সুযোগ থাকবে।
এরপর সিমলা শহরে ফিরে দর্শন করবো -
🏛️ দ্য রিজ
⛪ ক্রাইস্ট চার্চ
🛍️ মল রোড
📍 স্ক্যান্ডাল পয়েন্ট
🛕 জাখু মন্দির
সন্ধ্যায় মল রোডের আলো, পাহাড়ি পরিবেশ এবং স্থানীয় বাজার উপভোগ করে হোটেলে ফিরে আসবো।
রাত্রিবাস: সিমলা।
আজ সকালের প্রাতঃরাশের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমরা মণিকরণের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। পথে অতিক্রম করবো মনোরম কুল্লু উপত্যকা। বিয়াস নদীকে পাশে রেখে পাহাড়ি পথ ধরে এগিয়ে চলবে আমাদের গাড়ি।
পথে সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী - বিয়াস নদীর তীর, কুল্লু উপত্যকান ও কুল্লুর ঐতিহ্যবাহী শাল ও হস্তশিল্পের বিপণি ঘুরে দেখবো।
দুপুরের খাবার শেষে আবার পার্বতী উপত্যকার দিকে যাত্রা শুরু হবে।
পাহাড়ি রাস্তা ধরে এগিয়ে সন্ধ্যার দিকে পৌঁছে যাবো মণিকরণে।
হোটেলে চেক-ইন করার পর কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় মণিকরণের শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ উপভোগ করবো।
রাত্রিবাস: 🏨 মণিকরণ।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা মণিকরণের দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখবো। প্রথমেই দর্শন করবো পবিত্র মণিকরণ সাহিব গুরুদ্বার। এরপর এখানকার বিখ্যাত প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ এবং পার্বতী নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করবো।
পাহাড়ি পরিবেশ ও আধ্যাত্মিক আবহে কিছুটা সময় কাটিয়ে শুরু হবে আমাদের মানালির উদ্দেশ্যে যাত্রা।
পথে পার্বতী উপত্যকা, পাহাড়ি অরণ্য ও ছোট ছোট পাহাড়ি জনপদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে বিকেলের দিকে পৌঁছে যাবো মানালিতে।
হোটেলে চেক-ইন ও বিশ্রাম। সন্ধ্যায় সময় থাকলে মানালি মল রোডে হাঁটাহাঁটি ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার সুযোগ থাকবে।
রাত্রিবাস: 🏨 মানালি।
আজকের দিনটি সম্পূর্ণভাবে মানালি স্থানীয় দর্শনের জন্য। সকালের প্রাতঃরাশের পর আমাদের দল নিয়ে বেরিয়ে পড়বো।
আজ আমরা দর্শন করবো -
🌲 হিডিম্বা দেবী মন্দির
🕉️ মনু মন্দির
♨️ ভশিষ্ঠ মন্দির ও উষ্ণ প্রস্রবণ
🌳 ভানু বিহার
🏡 ক্লাব হাউস
দুপুরের খাবারের পর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী দর্শন অব্যাহত থাকবে।
সন্ধ্যায় মানালির মল রোডে কেনাকাটা ও পাহাড়ি পরিবেশ উপভোগ করে হোটেলে ফিরে আসবো।
রাত্রিবাস: 🏨 মানালি।
আজকের দিনটি থাকবে পাহাড়, তুষার ও রোমাঞ্চের জন্য।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা রওনা দেবো সোলাং উপত্যকার উদ্দেশ্যে।
পাহাড়ের কোলে বিস্তৃত সোলাং উপত্যকার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করবো।
আবহাওয়া ও তুষারের পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে বরফে ঢাকা পাহাড় দেখার সুযোগ থাকবে। এরপর রাস্তার অবস্থা ও প্রশাসনিক অনুমতি অনুযায়ী অটল টানেল দর্শন করা হবে।
পাহাড়ের বুকের ভিতর দিয়ে নির্মিত এই দীর্ঘ সুড়ঙ্গপথ পেরিয়ে হিমালয়ের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করবো। দিনভর ভ্রমণ শেষে সন্ধ্যার আগে মানালিতে ফিরে আসবো।
রাত্রিবাস: 🏨 মানালি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: তুষারপাত, রাস্তার অবস্থা, যানবাহন চলাচল ও প্রশাসনিক অনুমতির ভিত্তিতে সোলাং উপত্যকা, আতল টানেল অথবা তুষারাঞ্চল ভ্রমণের কর্মসূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।
সকালের প্রাতঃরাশের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমরা সকলে দলবদ্ধভাবে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।
পাহাড়ি রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে যেতে ধীরে ধীরে পিছনে পড়ে থাকবে তুষারছোঁয়া পাহাড়, পাইন বন, কুল্লু উপত্যকা ও বিয়াস নদীর সৌন্দর্য।
পথে নির্ধারিত স্থানে দুপুরের খাবার সেরে আমরা নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবো।
সেখান থেকে নির্ধারিত ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
সিমলার পাহাড়ি সকাল, কুল্লুর সবুজ উপত্যকা, মণিকরণের আধ্যাত্মিক পরিবেশ এবং মানালির তুষারছোঁয়া পাহাড়ের অসংখ্য স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে শুরু হবে আমাদের ফেরার যাত্রা।
রাত্রিবাস: 🚆 ট্রেনে।
আজ নির্ধারিত সময়ে আমরা কলকাতায় পৌঁছে যাবো।
এর সঙ্গে সমাপ্ত হবে আমাদের ৯ রাত্রি / ১০ দিনের কলকাতা থেকে কলকাতা বিশেষ হিমাচল গ্রুপ ভ্রমণ।
নতুন বন্ধু, নতুন অভিজ্ঞতা এবং হিমালয়ের অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে প্রত্যেকে নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যাবেন।
❤️ ভ্রমণ সমাপ্ত — কিন্তু হিমালয়ের স্মৃতি থেকে যাবে আজীবন।